নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঢাকা–নাগরপুর রুটে চলাচলকারী হাজার হাজার যাত্রী প্রতিদিন চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এই রুটে চলাচলকারী অধিকাংশ বাসই ভাঙাচোরা, লক্কড়-ঝক্কড় ও ফিটনেসবিহীন। জরাজীর্ণ জানালার কাঁচ ও ভাঙা সিটের পাশাপাশি চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত বাস না থাকায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত এখন দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা থেকে নাগরপুর ও সাটুরিয়া হয়ে চলাচলকারী বাসগুলোর বড় অংশই অত্যন্ত নিম্নমানের। অনেক গাড়ির সিট ভাঙা, জানালার কাঁচ নেই এবং বডিতে জং ধরেছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্রায়ই মাঝপথে গাড়ি বিকল হয়ে পড়ে থাকে। এতে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য এসব বাসে যাতায়াত করা বেশ কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
যাত্রীদের অভিযোগ, এই রুটে যাত্রীর তুলনায় বাসের সংখ্যা খুবই কম। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর একটি বাস এলে তাতে তিল ধারণের জায়গা থাকে না। ফলে অনেক যাত্রী বাসের দরজায় ঝুলে ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন। এ সুযোগে অনেক সময় পরিবহন শ্রমিকরা অতিরিক্ত ভাড়াও আদায় করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সাটুরিয়া বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষমাণ এক যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এই রুটে ভালো মানের কোনো বাস নেই বললেই চলে। যেসব গাড়ি চলে সেগুলোর অবস্থা খুবই খারাপ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও বাসে সিট পাওয়া যায় না। নিয়মিত ভাড়া দিয়ে আমরা অন্তত নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাত্রা চাই।”
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গুরুত্বপূর্ণ এই রুটে মানসম্মত পরিবহনের অভাব স্থানীয় অর্থনীতির ওপরও প্রভাব ফেলছে। তাই দ্রুত নতুন ও উন্নতমানের বাস সার্ভিস চালু করা এবং ফিটনেসবিহীন ভাঙাচোরা গাড়িগুলো সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও নিয়মিত যাত্রীরা।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

