দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
তিনি বলেন, ‘যাই হোক, তাদের রাজনৈতিক অবস্থান থাকতে পারে।
সম্প্রতি এক বেসরকারি টেলিভিশনে টকশো অনুষ্ঠানে হান্নান মাসউদ এসব কথা বলেন।
হান্নান মাসউদ বলেন, ‘অনেকে বলেন, আপনারা কি জুলাই চেতনার নামে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মতো রাজনীতি করতে চান? আমরা তা বলতে চাই না।
তিনি আরো বলেন, ‘আগে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সংঘর্ষ হতো, মারামারি হতো।
হান্নান মাসউদ বলেন, আগে আওয়ামী লীগের সময় বলা হতো শেখ মুজিব বা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবে না। এখন বলা হয়, আমাদের আমিরের বিরুদ্ধেও কিছু বলা যাবে না।
তিনি বলেন, ‘এনসিপি জুলাইয়ের কাছে যে ওয়াদাবদ্ধ, সেই ওয়াদাটাই আমরা রক্ষা করছি। আমরা যে জুলাই সনদ বা জুলাই ঘোষণাপত্রের কথা বলছি, তা আইনি ভিত্তি ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াসহ চাই। সরকার যদি তা নিশ্চিত না করে, তাহলে আমরা বার বার প্রতারিত হতে চাই না। জুলাই ঘোষণাপত্রে একবার আমরা প্রতারিত হয়েছি; এবার জুলাই সনদের ক্ষেত্রেও তা হতে দিতে পারি না। আমরা চাই সরকার যে চুক্তি করছে, তা বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা দিক।’
তিনি আরো বলেন, ‘এনসিপির গতকালের অবস্থান থেকে বিষয়টি স্পষ্ট—জুলাই অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব যারা দিয়েছিল, তাদের সঙ্গে নিয়েই ড. ইউনূসের সরকার গঠিত হয়েছে। তারা দেশে এসে শপথ নিয়েছেন। কিন্তু যখন জুলাই সনদে স্বাক্ষর করার প্রশ্ন এলো, তখন তাদের কেউ ছিল না—সবাই সরে গেছে।’
হান্নান মাসউদ বলেন, ‘যুদ্ধের সময় গরিবদের সন্তানরা যুদ্ধ করে, মধ্যবিত্তদের সন্তান থাকে না, ব্যবসায়ীরা শুধু রুটি দেয়, আর রাজনীতিবিদরা সমর্থন দেয়। যুদ্ধ শেষ হলে গরিবরা তাদের সন্তানদের লাশ খোঁজে, রাজনীতিবিদরা সমঝোতা করে, আর ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।’

