মোহাম্মদ মোশার্রাফ হোছাইন খান :
বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)-এর মিশন-ভিশন, রূপকল্প ও কর্মসূচির ফাঁকাবুলি আর ব্যালেন্স শিটে ফুলেফেঁপে ওঠা সংখ্যার দিকে তাকালে যে কারও চোখ ধাঁধিয়ে যেতে বাধ্য। কাগজে-কলমে, প্রায় ৬৭,৩৪০ কোটি টাকার একচ্ছত্র সম্পদ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি নিজেকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম এক টেলিকম জায়ান্ট হিসেবে জাহির করছে। কিন্তু, “দৈনিক এই বাংলা”-র হাতে আসা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের একাধিক সংবিধিবদ্ধ অডিট রিপোর্ট ও রাষ্ট্রীয় নিরীক্ষার বিপুলসংখ্যক গোপন নথি এই চোখধাঁধানো করপোরেট সাফল্যের মুখোশ নির্মমভাবে উন্মোচন করে দিয়েছে।
কাগজের তৈরি এক বিশাল গোলকধাঁধা আর ডিজিটাল কারসাজির আড়ালে রাষ্ট্রের এই মেগা টেলিকম সংস্থা এবং এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘টেলিটক’-এর ভেতরে চলছে পদ্ধতিগত ও পরিকল্পিত অর্থ লোপাট, ডিজিটাল জালিয়াতি এবং রাষ্ট্রীয় নথিপত্র গায়েব করার এক অভূতপূর্ব মহোৎসব। যেখানে গত দেড় দশকে দেশের করদাতাদের হাজার হাজার কোটি টাকা লুট হয়ে গেছে আমলাতান্ত্রিক দুর্নীতির এক গভীর কৃষ্ণগহ্বরে।
দেশের শীর্ষস্থানীয় তিনটি স্বাধীন অডিট ফার্ম—’Anil Salam Idris & Co. (ASICO)’, ‘Mahfel Huq & Co.’, ‘Ahsan Manzur & Co.’—এবং সরকারের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি)-এর বিশেষ অডিট রিপোর্টের পাতায় পাতায় উদ্ঘাটিত হয়েছে পুঞ্জীভূত অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার বাস্তব চিত্র। অডিটররা ডিজিটাল ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন কোড (DVC) সিল মেরে প্রতিষ্ঠান দুটির আর্থিক স্বচ্ছতার ওপর তীব্র আইনি আপত্তি বা ‘কোয়ালিফাইড ওপিনিয়ন’ (Qualified Opinion) উত্থাপন করেছেন—যা আন্তর্জাতিক হিসাববিজ্ঞানের ভাষায় কোনো প্রতিষ্ঠানের চরম আর্থিক দেউলিয়াত্ব ও হিসাব জালিয়াতির অকাট্য দলিল।
ডিজিটাল বাংলাদেশের মূল অবকাঠামোকে কীভাবে জবাবদিহিতাহীন একটি আমলাতান্ত্রিক সিন্ডিকেটের অবাধ চারণভূমিতে পরিণত করা হয়েছে, পাঁচ পর্বের এই বিশেষ অনুসন্ধানী সিরিজের প্রথম পর্বে উন্মোচিত হলো তার স্থায়ী সম্পদ ও মেগা প্রজেক্টের অন্ধকার অধ্যায়।
অস্তিত্বহীন কঙ্কাল: ৫৭,৯৮৩ কোটি টাকার ‘ভুতুড়ে’ সম্পদ
বিটিসিএল-এর ব্যালেন্স শিটের সবচেয়ে বড় শুভঙ্করের ফাঁকিটি লুকিয়ে আছে এর বিশাল স্থায়ী সম্পত্তির খতিয়ানে। কাগজে-কলমে করদাতাদের মেগা সাম্রাজ্যের বুক ফুলিয়ে দাবি করলেও, এর সিংহভাগেরই বাস্তব কোনো অস্তিত্ব নেই। অডিট নথিতে দেখা গেছে, কোম্পানির মোট সম্পদের ৮৬% জুড়ে থাকা ৫৭,৯৮৩ কোটি টাকার স্থায়ী সম্পত্তি (প্ল্যান্ট ও যন্ত্রপাতি)-র বিপরীতে কোনো ‘ফিক্সড অ্যাসেট রেজিস্টার’ বা আইনগত কেন্দ্রীয় তালিকা নেই। ফলে, স্বাধীন অডিটররা যখন সরজমিনে ভৌত যাচাইকরণে যান, তখন এই বিশাল সম্পদের কোনো বাস্তব হদিস পাননি— যেন পুরো সম্পত্তিটাই স্রেফ বাতাসে মিলিয়ে যাওয়া এক ‘ভুতুড়ে’ কঙ্কাল।
তবে প্রাতিষ্ঠানিক জালিয়াতির খতিয়ান এখানেই শেষ নয়; আন্তর্জাতিক হিসাব মান (IAS 16) সরাসরি লঙ্ঘন করে এক সুপরিকল্পিত ‘উইন্ডো ড্রেসিং’ বা কৃত্রিম মুনাফা দেখানোর খেলায় মেতেছে বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ।
ইতোমধ্যে বাণিজ্যিকভাবে সচল হওয়া এবং রাজস্ব আয় করা ৪,২৩৩ কোটি টাকার মেগা প্রকল্পগুলোকে খাতার ভেতর জোরপূর্বক ‘অসমাপ্ত কাজ’ (CWIP) হিসেবে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এর একমাত্র উদ্দেশ্য— প্রতি বছরের শত শত কোটি টাকার অবচয় বা ডেপ্রেশিয়েশন খরচকে আড়াল করা, যাতে কোম্পানির বিশাল লোকসানকে এক জাদুকরী কৃত্রিম লাভে রূপান্তর করে জনসমক্ষে বুক ফোলানো যায়।
লুণ্ঠনের এই অন্ধকার অধ্যায়ে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেওয়া হয়েছে ব্যাংকের নগদ অর্থের হিসাবে। ব্যালেন্স শিটে ব্যাংকে জমা দাবি করা হয়েছে ৫৩২ কোটি টাকা। কিন্তু অডিটররা যখন এই বিপুল অর্থের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য শাখা-ভিত্তিক ব্যাংক লেজার বা ব্যাংক বুক দেখতে চান, তখন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ তা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়, যা এই অর্থ পূর্বেই সরিয়ে ফেলার তীব্র আশঙ্কা তৈরি করে।
মেগা প্রজেক্টের আড়ালে মানি লন্ডারিং ও ভাউচার গায়েব
উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের নামে রাষ্ট্রীয় মেগা প্রকল্পগুলোকে পরিণত করা হয়েছে অর্থ পাচারের নিরাপদ স্বর্গরাজ্যে। খরচের প্রমাণ সম্পূর্ণ গুম করে দিয়ে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মিলেছে অডিট রিপোর্টে।
MOTN প্রকল্প: ‘মডার্নাইজেশন অব টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক’ (MOTN) মেগা প্রজেক্টে শুধুমাত্র এক বছরেই ৪৭২ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকার কাজ দেখানো হয়েছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই বিশাল খরচের স্বপক্ষে কোনো উপযুক্ত বিল, ভাউচার বা আইনি প্রমাণ অডিটরদের দেখাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
WBND প্রকল্প: কাকরাইলের ‘WBND’ প্রকল্পের জালিয়াতির রূপ আরও ভয়ংকর। এখানে ২৫২ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকার মূল লেনদেনের খাতা এবং ট্রায়াল ব্যালেন্সই সরাসরি গায়েব করে দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনো ফরেনসিক তদন্তেই অপরাধীদের শনাক্ত করা না যায়।
পার্কিং অ্যাকাউন্ট রহস্য: সবচেয়ে রোমাঞ্চকর জালিয়াতি ধরা পড়েছে এলসি (LC) মার্জিনের অগ্রিম হিসাবে। যেখানে ৬ কোটি ৬৬ লক্ষ টাকা একটি সম্পূর্ণ অস্তিত্বহীন ‘পার্কিং অ্যাকাউন্টে’ স্থানান্তর করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অডিট বিশেষজ্ঞদের মতে, এই স্তরের নথিপত্র গুম এবং ভুয়া অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তর, সরাসরি অর্থ আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিংয়ের অলঙ্ঘনীয় আইনি প্রমাণ।
ডিজিটাল ডাকাতি: কল রেকর্ড গায়েব ও ৫,১০৯ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি
টেলিকম খাতের মূল শক্তি প্রযুক্তিকে ব্যবহার করেই চালানো হয়েছে রাষ্ট্রীয় কোষাগার লুটের সবচেয়ে বড় অপারেশন। সিএজি (CAG)-এর বিশেষ অডিট পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ইনকামিং কলের মূল ডিজিটাল রেকর্ড সিস্টেম থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে ডেটা মুছে ফেলে (erasing the record of incoming calls) এবং আন্তর্জাতিক কল বাইপাসের মাধ্যমে বিটিসিএল সরকারের ৫,১০৯ কোটি টাকারও বেশি প্রত্যক্ষ সরকারি রাজস্ব এবং ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
একই সময়ে, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর রহস্যজনক নিষ্ক্রিয়তায় মোবাইল অপারেটরদের কাছ থেকে স্পেকট্রাম চার্জ, ভ্যাট এবং লাইসেন্স ফি সঠিকভাবে আদায় না করায় রাষ্ট্রের আরও ২,৩১৯ কোটি ২২ লক্ষ টাকার প্রত্যক্ষ ক্ষতি হয়েছে।
এর বাইরে যুক্ত হয়েছে ২২,০১৬ কোটি টাকার এক বিশাল অনাদায়ী বকেয়া বিলের কালো গহ্বর। এই বিপুল পরিমাণ বকেয়া টাকা কোন কাস্টমার বা কোন অপারেটরদের কাছে পাওনা, তার সুনির্দিষ্ট তালিকা বিটিসিএল রাজস্ব বিভাগ অডিটরদের কাছ থেকে সম্পূর্ণ গোপন রেখেছে—যা প্রমাণ করে কোনো শক্তিশালী প্রভাবশালী মহলকে আড়াল করতেই এই গোপনীয়তা।
প্রাতিষ্ঠানিক নৈরাজ্য: বিটিসিএল-টেলিটকের ‘ভৌতিক’ লেনদেন
সরকারি খাতার ভেতর হিসাবের চরম প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক নৈরাজ্যের চিত্র উঠে এসেছে একই মন্ত্রনালয়ের অধীনে থাকা দুই সহোদর প্রতিষ্ঠান বিটিসিএল এবং টেলিটকের মধ্যকার লেনদেনে। দুই সরকারি প্রতিষ্ঠানের হিসাবের খাতা বিশ্লেষণ করে অডিটররা স্তম্ভিত হয়ে গেছেন।
অডিট রিপোর্ট অনুযায়ী, টেলিটকের খাতায় বিটিসিএল-এর কাছে দেনা দেখানো আছে ১০২ কোটি ৯value৫ লক্ষ টাকা, অথচ বিটিসিএল পাওনা দাবি করছে ৫৭৯ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা। দুই খাতার মাঝে সরাসরি ৪৭৬ কোটি ৩৯ লক্ষ টাকার এক ভৌতিক গরমিল রয়েছে, যার কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা বা রিকনসিলিয়েশন কেউ অডিটরদের দিতে পারেনি। এছাড়া, বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লিমিটেডকে ১১৬ কোটি টাকা অগ্রিম দেওয়ার দাবি করা হলেও তারা পেয়েছে মাত্র ১০১ কোটি টাকা— দুই সরকারি প্রতিষ্ঠানের হিসাবের মাঝখান থেকেই উধাও হয়ে গেছে ১৫ কোটি টাকা।
টেলিটকের অন্দরমহলে হরিলুট: ১৭ অনিয়ম ও ১৬,৭৪৯ কোটি টাকার পুঞ্জীভূত ধস
বিটিসিএল-এর এই প্রাতিষ্ঠানিক পচনের ঢেউ সরাসরি গ্রাস করেছে এর সহযোগী রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর ‘টেলিটক’-কে। সিএজি-র বিশেষ ফরেনসিক অডিট রিপোর্টে টেলিটকের ভেতরের সীমাহীন দুর্নীতি ও পদ্ধতিগত লুণ্ঠনের যে খতিয়ান উঠে এসেছে, তা যেকোনো আধুনিক করপোরেট সুশাসনের জন্য চরম লজ্জাজনক। অডিটররা টেলিটকের কার্যক্রমে ১৭টি মারাত্মক ও জঘন্য অনিয়ম হাতেনাতে ধরেছেন, যার সাথে সরাসরি জড়িত ২৪২ কোটি ৫৯ লক্ষ টাকার পাবলিক ফান্ড।
লুণ্ঠনের এই চিত্র কোনো একটি নির্দিষ্ট খাতে সীমাবদ্ধ ছিল না:
অবৈধ সুযোগ-সুবিধা: অর্থ মন্ত্রণালয়ের কোনো তোয়াক্কা বা অনুমোদন ছাড়াই, কর্মকর্তাদের উচ্চহারে ৩৯ কোটি ৮ লক্ষ টাকার সম্পূর্ণ অবৈধ বেতন-ভাতা প্রদান করা হয়েছে।
সিস্টেমের অপব্যবহার: প্রিপেইড সিমকে পোস্টপেইডে রূপান্তর করে ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো বিল জেনারেট না করায় রাষ্ট্রের ক্ষতি হয়েছে ১৫ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা।
রাজস্ব লোপাট: এর সাথে যোগ হয়েছে, অবৈধ ভিওআইপি কলের মাধ্যমে আরও ৪ কোটি ১২ লক্ষ টাকার প্রত্যক্ষ রাজস্ব লোপাটের ঘটনা।
এই সুদীর্ঘ ও ধারাবাহিক প্রাতিষ্ঠানিক হরিলুটের চূড়ান্ত ও অনিবার্য ফলস্বরূপ, ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে টেলিটকের পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক অবিশ্বাস্য ও আকাশচুম্বী অঙ্কে—ঠিক ১৬,৭৪৯ কোটি টাকা। করদাতাদের টাকায় চলা একটি রাষ্ট্রীয় কোম্পানি কীভাবে দেউলিয়া হওয়ার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছায়, টেলিটক তার এক ধ্রুপদী উদাহরণ।
আন্তর্জাতিক জার্নালেও দুর্নীতির ক্ষত: ‘উদ্যোগ ও বাস্তবতার বিশাল ফারাক’
বিটিসিএল এবং টেলিটকের এই নজিরবিহীন সুশাসনের ধস কেবল অভ্যন্তরীণ অডিটেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি আন্তর্জাতিক অ্যাকাউন্টিং ও ম্যানেজমেন্ট গবেষণাতেও খতিয়ানসহ প্রমাণিত। বিশ্বখ্যাত ‘সেজ জার্নালস’ (Sage Journals) এবং ‘এসএসআরএন’ (SSRN)-এ প্রকাশিত একাধিক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় এই টেলিকম সংস্থাগুলোর মধ্যে তীব্র তদারকি (Close Supervision) এবং কার্যকর সমন্বয়ের চরম অভাব রয়েছে। যার ফলে তৈরি হয়েছে কাগজের ‘উদ্যোগ ও বাস্তবতার মধ্যে এক বিশাল গ্যাপ’ (Initiative and Reality Gap)।
মাঠপর্যায়ের কারিগরি নথি এই বৈজ্ঞানিক গবেষণার তিক্ত সত্যতাকেই সরাসরি নিশ্চিত করে। উদাহরণস্বরূপ, পাবনা আঞ্চলিক এক্সচেঞ্জের মতো জেলা শহরগুলোতেও বিটিসিএল-এর আধুনিক এজিডব্লিউ (AGW) এক্সচেঞ্জ ও জিপন (GPON) প্রযুক্তি ইতোমধ্যে সম্পূর্ণ সচল এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। অর্থাৎ, যে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিটিসিএল গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিচ্ছে এবং নিয়মিত কোটি কোটি টাকার রাজস্ব পকেটস্থ করছে, হিসাবের খাতায় সেই ৪,২৩৩ কোটি টাকার মেগা প্রকল্পকেই অবৈধভাবে ‘অসমাপ্ত’ বা কাজ চলছে (CWIP) দেখিয়ে কৃত্রিম মুনাফার এক কাল্পনিক স্বর্গ তৈরি করা হচ্ছে।
এই পাহাড়সম জালিয়াতি, নথিপত্র গুম এবং পদ্ধতিগত হরিলুটের বিষয়ে বিটিসিএল এবং টেলিটকের সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা কথা বলতে রাজি হননি।
টপিক