Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দুধকুমার নদীতে বালু লুট: উন্নয়ন প্রকল্পের আড়ালে চলছে অবৈধ উত্তোলন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার দুধকুমার নদীতে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে চলছে বালু লুটের মহোৎসব। রাতের আঁধারে নদীর বুকচিরে ড্রেজারের পাইপ, আর দিনের...
Homeসারাদেশবার্ষিক পরীক্ষায় শিক্ষকদের কর্মবিরতি: দায়িত্ব কাঁধে নিলেন অভিভাবক ও শিক্ষা কর্মকর্তারা

বার্ষিক পরীক্ষায় শিক্ষকদের কর্মবিরতি: দায়িত্ব কাঁধে নিলেন অভিভাবক ও শিক্ষা কর্মকর্তারা

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :


১ ডিসেম্বর থেকে জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হলেও শিক্ষকদের তিন দফা দাবিতে চলমান কর্মবিরতির কারণে বিপাকে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষার সময়কে উপেক্ষা করে কর্মবিরতিতে যাওয়ায় অভিভাবকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

জানা যায়, কুড়িগ্রামের ১২৪০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী একযোগে বার্ষিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা। কিন্তু শিক্ষকদের কর্মবিরতির কারণে বহু স্কুলেই পরীক্ষা পরিচালনায় বিঘ্ন তৈরী হয়েছে। কোথাও অভিভাবকরা নিজেরাই পরীক্ষা নিচ্ছেন, আবার কোথাও শিক্ষা কর্মকর্তারা শিক্ষকের ভূমিকায় দায়িত্ব পালন করছেন।

রৌমারী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা যায়, শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকলেও লাইব্রেরিতে অবস্থান করছেন এবং পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন না। তাই রৌমারী উপজেলার সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমুল করিম প্রধান শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অনেক অভিভাবক।

মো. আব্দুল কাদের নামে একজন অভিভাবক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন— “ন্যায্য দাবি-দাওয়া থাকতেই পারে, কিন্তু পরীক্ষা বন্ধ রেখে আন্দোলন কোনভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। সেটাও আবার শিক্ষকদের পক্ষ থেকে!”

সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমুল করিম জানান, রৌমারী উপজেলার ১১৫টি বিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলছে, তবে কোনোটাতেই শিক্ষকরা পরীক্ষার দায়িত্ব পালন করছেন না। কিছু ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষক, পিয়ন এবং শিক্ষিত অভিভাবকদের সহায়তায় পরীক্ষা পরিচালনা করা হচ্ছে। রৌমারী মডেল সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী বেশি হওয়ায় তিনি নিজেই অভিভাবকদের সঙ্গে পরীক্ষা দেখভাল করছেন।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার রায় চৌধুরী বলেন, “এই সময়ে শিক্ষকদের আন্দোলনে যাওয়া নৈতিকভাবে ঠিক হয়নি। বার্ষিক পরীক্ষার সময় নির্ধারিত, এর পরই বৃত্তি পরীক্ষা রয়েছে। শিশুদের ভবিষ্যৎকে জিম্মি করে এমন আন্দোলন কোনো সচেতন মানুষ সমর্থন করবে না।”

এই বাংলা/এমএস

টপিক