টেকসই গনতন্ত্র, সুশাসন ও জবাবদিহিতা ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়: মাসুদ সাঈদী

0
85
ফাইল ফুটেজ

পিরোজপুর প্রতিনিধি :

পিরোজপুরে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত পিরোজপুর-১ আসনের এমপি প্রার্থী ও জিয়ানগর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী বলেছেন, স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পরও দেশে টেকসই গণতন্ত্র ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

তিনি বলেন, “রাজনৈতিক ক্ষমতা, জবাবদিহিতা ও অর্থনৈতিক ভারসাম্য না আনতে পারলে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। টেকসই উন্নয়নের জন্য সুশাসন ও নীতিগত সংস্কার অপরিহার্য।”

নাজিরপুর উপজেলার বিলডুমুরিয়া পদ্মডুবি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

মাসুদ সাঈদী বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নাগরিক অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো সংস্কার কার্যকর হয় না। এটি একক কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাজ নয়, বরং এটি একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া যা সরকারকেই বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, “সুশাসন প্রতিষ্ঠায় জবাবদিহিতা অপরিহার্য। এটি দুর্নীতি রোধ করে, স্বৈরাচার প্রতিহত করে এবং দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি করে। তবে জবাবদিহিতার মানসিকতা শুধু আল্লাহভীরু ও নৈতিক মানুষদের মধ্যেই পাওয়া যায়।”

দুর্নীতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দুর্নীতি এখন ক্যানসারের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও ঐক্য ছাড়া দুর্নীতি দমন সম্ভব নয়। দলীয় প্রার্থী মনোনয়নে সততা ও যোগ্যতার পরিবর্তে অর্থনৈতিক প্রভাব প্রাধান্য পাওয়ায় দুর্নীতিবাজরা সব স্তরে প্রভাব বিস্তার করছে।”

তিনি সৎ ও যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এবার জনগণ দুর্নীতিবাজ ও স্বৈরাচারী কাউকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। সুশাসন ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় ইসলামপন্থী, সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের সংসদে পাঠাতে হবে।”

সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। ন্যায্যতা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে সবাইকে নিজ নিজ গণ্ডি পেরিয়ে কাজ করতে হবে।”

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন নাজিরপুর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক সেনা কর্মকর্তা কাজী মোসলেহ উদ্দিন, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আনিস মল্লিক, যুব বিভাগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

এই বাংলা/এমএস

টপিক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here