খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :
খাগড়াছড়ি রামগড় উপজেলা দীর্ঘদিন ধরে চলমান পাহাড় কাটার অভিযোগে সরকারের গঠিত উচ্চ পর্যায়ের যৌথ তদন্ত টিম পরিদর্শন করেছে।
রামগড় স্থলবন্দরে অবৈধভাবে পাহাড় কেটে মাটি ভরাটের ঘটনায় সরেজমিন পরিদর্শন করে যৌথ তদন্ত টিম। বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে এ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হয়।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে গঠিত তদন্ত টিম রামগড় স্থলবন্দরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ পাহাড় কাটার স্থান পরিদর্শন করে। পরিদর্শনকালে তদন্ত টিম পাহাড় কাটার ফলে পরিবেশের ক্ষয়ক্ষতি, ভূমি ধসের ঝুঁকি এবং সরকারি বিধিনিষেধ লঙ্ঘনের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখেন।
বাংলাদেশ নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র যুগ্ম সচিব ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মোঃ ফিরোজ আহমেদের নেতৃত্বে এই পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এসময় তদন্ত টিম সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে পাহাড় কাটার বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথিপত্র সংগ্রহ করেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের (উন্নয়ন) যুগ্ম সচিব এইচ এম মনিরুজ্জামান, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের (বাস্থবক শাখা) সিনিয়র সহকারী সচিব রাসনা শারমিন, রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ শামীমসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রামগড় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি ও স্থলবন্দরের উন্নয়ন কাজের নামে ভরাট করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ উঠে আসছে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমে ভূমিধসের আশঙ্কাও বাড়ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
তদন্ত টিম সংশ্লিষ্ট এলাকার বাস্তব চিত্র পর্যালোচনা শেষে এ বিষয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে বলে জানা গেছে। প্রতিবেদনের সুপারিশের ভিত্তিতে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এদিকে, সরকারি তদন্ত টিমের পরিদর্শনে স্থানীয়দের মধ্যে পাহাড় কাটা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশাবাদ সৃষ্টি হয়েছে।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

