মৌলভীবাজার (কুলাউড়া) প্রতিনিধি :
সিলেট-কক্সবাজার ও সিলেট-ঢাকা রেলপথের সংস্কারসহ আট দফা দাবিতে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি শনিবার (১ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পালিত হয়েছে।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া, শ্রীমঙ্গল, শমশেরনগর ও ভানুগাছ স্টেশনে আন্দোলনকারীরা লাল পতাকা প্রদর্শন করে এবং অবস্থান নেন। দুপুরে কুলাউড়া রেলস্টেশনে ঢাকা থেকে আসা পারাবত এক্সপ্রেস এবং সিলেট থেকে আসা পাহারিকা এক্সপ্রেসকে কিছু সময়ের জন্যে আটকানো হয়। অবরোধ তুলে নেওয়ার পর ট্রেনগুলো পুনরায় যাত্রা শুরু করে।
আন্দোলনের সমন্বয়ক আজিজুল ইসলাম ও মুখ্য সমন্বয়ক আতিকুর রহমান আখই পূর্বে সাধারণ মানুষকে ১ নভেম্বর ট্রেন ভ্রমণ এড়িয়ে চলার আহবান জানিয়েছিলেন।
আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল:
- সিলেট-ঢাকা ও সিলেট-কক্সবাজার রুটে দুটি নতুন স্পেশাল ট্রেন চালু করা।
- আখাউড়া-সিলেট রেলপথ সংস্কার ও ডাবল লাইন বাস্তবায়ন।
- আখাউড়া-সিলেট সেকশনে অন্তত একটি লোকাল ট্রেন চালু করা।
- আখাউড়া-সিলেট সেকশনের সব বন্ধ স্টেশন পুনরায় চালু করা।
- কুলাউড়া জংশনে বরাদ্দকৃত আসনসংখ্যা বৃদ্ধি।
- কালনী ও পারাবত ট্রেনের যাত্রাবিরতি প্রত্যাহার।
- শিডিউল বিপর্যয় রোধে ত্রুটিমুক্ত ইঞ্জিন ব্যবহার।
- যাত্রী চাহিদা অনুযায়ী প্রতিটি ট্রেনে অতিরিক্ত বগি সংযোজন।
আন্দোলনকারীদের মতে, রেলওয়ের অবহেলার কারণে সিলেটবাসী নিয়মিত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। কর্মসূচিতে মৌলভীবাজার-২ আসনের সাবেক এমপি নওয়াব আলী আব্বাছ খান এবং জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আবেদ রাজা উপস্থিত ছিলেন।
দুপুরে কুলাউড়া স্টেশন মাস্টার রোমান আহমদ জানান, পারাবত ও পাহারিকা ট্রেনের যাত্রায় বিলম্ব হয়েছে। অবরোধের পর দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে রেল বিভাগ আন্দোলনকারীদের আটটি দাবির মধ্যে ছয়টি দাবিতে সাময়িকভাবে সম্মতি জানায়। আন্দোলনকারীরা জানান, ডিসেম্বরের মধ্যে বাকি দাবির বাস্তবায়ন না হলে পুনরায় রেলপথ অবরোধের কর্মসূচি দেওয়া হবে।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

